বাংলাদেশ

হাতে ছবি-অপলক দৃষ্টি নিয়ে সুগন্ধার তীরে স্বজনরা

ঝালকাঠিতে মাঝ নদীতে আগুনে পুড়ে যাওয়া এমভি অভিযান-১০ লঞ্চে থাকা যাত্রীদের মধ্যে সুগন্ধা নদীতে লাফিয়ে পড়া অনেকেই এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজদের সন্ধানে আজও সকাল থেকে নদীর তীরে ভিড় করেছেন স্বজনরা। এসময় চোখে কাছের মানুষদের ফিরে পাওয়ার আশা এবং হাতে ছবি নিয়ে ক্ষণ গুনছেন অনেকেই।  

হারানো প্রিয়জনদের সন্ধানে কেউ আবার ট্রলার নিয়ে নদীর বিভিন্ন প্রান্তে খুঁজে বেড়াচ্ছেন। আবার নিখোঁজদের ছবি নিয়ে নদী তীরের বাসিন্দাদের দেখাচ্ছেন আর বিলাপ করছেন কেউ। কেউ আবার নদী তীরের মিনিপার্ক, ডিসিপার্ক, লঞ্চঘাট এবং ঘটনাস্থল দিয়াকুল এলাকায় ঘুরছেন। 

এদিকে, ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে অগ্নিকাণ্ডে কতজন নিখোঁজ রয়েছেন তার সঠিক হিসাব এখনও কেউ দিতে পারছেন না। দুর্ঘটনার পর শুক্রবার সকাল থেকে সুগন্ধা তীরের দিয়াকুল গ্রামে, ঝালকাঠি সদর হাসপাতাল ও বরিশাল শেরেবাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় হাসপাতালে আসতে থাকেন নিখোঁজদের স্বজনরা। তাদের আহাজারিতে ভারী সুগন্ধা তীর এবং হাসপাতালের পরিবেশ।

শনিবার সকাল ৮টা থেকে ঝালকাঠি ও বরিশাল ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরিদল লঞ্চঘাট এলাকায় উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করে। নিখোঁজদের উদ্ধারে ডুবুরি দল সন্ধ্যা পর্যন্ত কাজ করবেন বলে জানিয়েছেন ঝালকাঠি ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক মো. কামাল উদ্দিন ভূঁইয়া।

নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব তোফায়েল হাসান জানান, শুক্রবার সকালে তদন্ত কমিটি ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই আমাদের কার্যক্রম শুরু হয়। সরেজমিনে লঞ্চের ক্ষতির পরিমাণ ও অগ্নিকাণ্ডের কারণ জানতে পরিদর্শন করেছি। রাতে প্রথমে যেখানে গিয়ে থেমেছিলো সেখানে গিয়েও লোকজনের সঙ্গে কথা বলবো। এই মুহূর্তে সুনির্দিষ্ট কিছু বলা যাচ্ছে না।

মতামত দিন