অন্যান্য

কেন এই ইশারা দিবস?

মাতৃভাষায় কথা বলার জন্য কত যুদ্ধ হলেও অনেকই আছেন যাদের ভাগ্যে নিজের ভাষাটুকু উচ্চারণের সেই সুযোগটাই হয়নি। তারা তাদের মনের ভাষা ব্যক্ত করেন নিজের ইশারার মাধ্যমে। সেই ইশারায় কিছু ভাষা রয়েছে। শ্রবণ ও বাকপ্রতিবন্ধী মানুষ ইশারার মাধ্যমে তাদের মনের ভাব প্রকাশ করে।

তাদের এ ভাষাকে স্বীকৃতি দিয়ে ৭ ফেব্রুয়ারি দেশে পালিত হচ্ছে বাংলা ইশারা ভাষা দিবস। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য হচ্ছে ‘বাংলা ইশারা ভাষার প্রসার, শ্রবণ প্রতিবন্ধী ব্যক্তির অধিকার’।

২০১২ সালের ২৬ জানুয়ারি আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় সর্বসম্মতিক্রমে ৭ ফেব্রুয়ারিকে রাষ্ট্রীয়ভাবে বাংলা ইশারা ভাষা দিবস হিসেবে নির্ধারণ করা হয়। 

বিগত বছরগুলোর মতো এবারও সারা দেশে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি পালন করা হয়। সোমবার সরকারি তথ্য বিবরণীতে এ কথা জানানো হয়েছে। ২০২১ সাল পর্যন্ত, দেশে বর্তমানে শ্রবণ প্রতিবন্ধীর সংখ্যা প্রায় ৩০ লাখ। শ্রবণ ও বাকপ্রতিবন্ধী মানুষের বৈচিত্র্যময় জীবনের প্রকাশ ঘটে এ ভাষার মাধ্যমে।

এ ছাড়া অটিস্টিক, নিউরোলজিক্যাল ডিজঅর্ডার ও বুদ্ধিপ্রতিবন্ধীদের অনেকে ইশারা ব্যবহারের মাধ্যমে মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ করে থাকে।

সমাজসেবা অধিদফতর আটটি শ্রবণপ্রতিবন্ধী বিদ্যালয় পরিচালনা করছে। এতে মোট আসন ৭২০টি। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে ঢাকা সরকারি বধির হাইস্কুল এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় একটি স্কুলে দশম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ার সুযোগ আছে।

মতামত দিন