শুক্রবার ১৮ জুন ২০২১ | ০২:২৪:১৭

মোহনা সংবাদ ২৪ ডট কম

বাড়ি বাড়ি গিয়ে করোনা চিকিৎসার প্রস্তাব

It Admin Mohona, Mohona Songbad | আপডেট: ১৫:১৬, এপ্রিল ২২, ২০২১

সারা পৃথিবী কোভিড-১৯ রোগে পর্যুদস্ত। বাংলাদেশ এর ব্যতিক্রম নয়। ঢাকা ও অন্যান্য বড় শহরে চিকিৎসকদের জট ও তাদের দালালদের প্রতারণার নেট বিস্তৃত। দেশের অন্যান্য অঞ্চলে চিকিৎসকদের অনুপস্থিতি একটি দুর্ভাগ্যজনক বাস্তবতা এবং নিবেদিতপ্রাণ নার্সের সেবা স্বপ্নের ছায়ায় পরিণত হয়েছে।

তাদের দায়িত্ব পালন করছেন আয়া ও সুইপাররা অতিরিক্ত বকশিশের বিনিময়ে। বড় হাসপাতালে হুইলচেয়ার ও ট্রলির জন্যও ঘুস দেওয়ার ঘটনা সর্বজনবিদিত। টেকনিশিয়ানদের প্রয়োজনীয়তা চিকিৎসা প্রশাসকদের চিন্তার অন্তর্ভুক্ত নয়। দেশে প্রয়োজন নিদেনপক্ষে তিন লাখ চিকিৎসক, আছে এক লাখের অনধিক। প্রতিবছর সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেল কলেজগুলো ২০ হাজার করে ছাত্র ভর্তি করলেও কাম্য সংখ্যায় পৌঁছতে ১২-১৫ বছর লাগবে।

ঢাকায় হাসপাতালে শয্যার স্বল্পতা, ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটের (আইসিইউ) দুষ্প্রাপ্যতা এবং ব্যবহৃত ওষুধের অত্যধিক মূল্য ও রোগ নির্ণয় প্রক্রিয়ার অধিক চার্জ, মেডিকেল যন্ত্রপাতি ও সামগ্রীর ওপর অকল্পনীয় বিবিধ শুল্ক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনাকে জনগণের সামর্থ্যরে বাইরে নিয়ে গেছে। উল্লেখ্য, দেশে রোগীকে চিকিৎসার প্রায় ৭২ শতাংশ খরচ নিজেকে বহন করতে হয় (Out of Pocket Expense-OOP)। পৃথিবীর অন্য কোনো দেশে রোগীকে এত অধিক পরিমাণ চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন করতে হয় না।

জনগণের অজ্ঞতার কারণে সঠিক চিকিৎসা ব্যবস্থাপনার পরিবর্তে আইসিউ প্রীতি ও আকর্ষণ বেড়েছে, দালালদের আয় বেড়েছে এবং রোগগ্রস্ত পরিবার সর্বস্বান্ত হচ্ছে। তদুপরি অধিকাংশ মেডিকেল যন্ত্রপাতি ও সামগ্রীর ওপর কাস্টমস ডিউটি, রেগুলেটরি ডিউটি, সাপ্লিমেন্টারি ডিউটি, ভ্যাট, অগ্রিম আয়কর, অগ্রিম কর, টোটাল ট্যাক্স ইনসিডেন্স, মূল্য সংযোজন কর ইত্যাদি মিলে ২০ থেকে ৬০ শতাংশ বিবিধ শুল্ক ট্যাক্স বাবদ আদায় করা হয়। উল্লেখ্য, ধনী লোকের প্রাইভেট হাসপাতালগুলোকে তথাকথিত রেফারেল হাসপাতাল তকমা দিয়ে ব্যবহৃত মেডিকেল যন্ত্রপাতির ওপর বিবিধ শুল্ক রেয়াত দেওয়া আছে। তেলে মাথায় তেল ঢালা! সম্প্রতি জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কর্তৃক ভোগ্যপণ্য থেকে অগ্রিম আয়কর প্রত্যাহার করা হয়েছে।

অত্যধিক শুল্কের কয়েকটি উদাহরণ

আইভি ফ্লুয়িড ব্যাগ ছাড়া ইনফিউশন সেটে মোট শুল্ক ৬০.৭৩ শতাংশ, মেমব্রেন ফিল্টারে ৬০.৭৩ শতাংশ, আইভি কেনুলায় ৩৮.৮৩ শতাংশ, স্কাল্প ভেইন সেটে ৩৮.৮৩ শতাংশ, গ্লাভসে ২৮.৪৭ শতাংশ, কার্ডিয়াক মনিটরে ৩০ শতাংশ, ব্লাড ট্রান্সফিউশন সেটে ৩৮.৮৩ শতাংশ, ক্যাথেটার সাকসনে ৩৮.৮৩ শতাংশ, ডিফিব্রিলেটরে ২৬.২০ শতাংশ, ডিস্টিলড ওয়াটার প্লান্টে ২৭.৮৮ শতাংশ, এফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্লান্টে ২৬.২০ শতাংশ, ইসিজি, ইকোকার্ডিওগ্রাম, ইএসআর মেসিন, প্লাজমা এক্সট্রুডার, রিয়েল টাইম পিসিআর, স্টেরিলাইজারে ২৭.৮৮ শতাংশ, সার্জিকেল এডহেসিভ টেপে ৩৮.৪৭ শতাংশ, প্রস্রাবের ব্যাগে এবং প্রিফিল্ড ও অন্যান্য সিরিঞ্জে ৩৮.৮৩ শতাংশ, পালস অক্সিমিটারে ১৫.২৫ শতাংশ, ভেন্টিলেটরের ওপর মোট শুল্ক ১১.৬৭ শতাংশ। পূর্ণ তালিকা অনেক বড় হবে। (সরকার কর্তৃক নির্ধারিত করের বিবরণ)।

জীবন রক্ষাকারী প্রকৃতি প্রদত্ত অক্সিজেনের ওপর ১৭.৯৪ শতাংশ মূসক প্রযোজ্য হয়। তদুপরি মাঝারি ধরনের ১.৪ কিউবেক মিটার অক্সিজেন সিলিন্ডারের মূল্য ২৬,৫২২ টাকা। এর মধ্যে প্রায় ২০০০ টাকা বিবিধ ট্যাক্স। জীবন রক্ষাকারী অতীব প্রয়োজনীয় ওষুধ ও ল্যাবরেটরি রিএজেন্টসের ওপর সাত ধরনের বিবিধ শুল্ক ও পদ্ধতির কারণে ১১.৬৭, ১৭, ২৫, ২৬.৬৭, ৩০, ৩২.৭৫, ৩৮.৮৩ ও ৬০.৭৩ শতাংশ ইত্যাদি আট পদ্ধতির শুল্কায়ন হয়।

হেপাটাইসিস সি-এর ওষুধে ১১.৬৭ শতাংশ, বহুমূত্রের ওষুধ মেটফরমিনে ৩৮.৮৩ শতাংশ, উচ্চরক্তচাপের ওষুধ প্রাজসিনে ৩২.৭৫ শতাংশ, ক্যানসারের ওষুধ ট্যামোক্সিফনে ৩২.৭৫ শতাংশ অ্যান্টিবায়োটিক ভ্যানকোমাইসিনে ১৭ শতাংশ, অ্যান্টিবায়োটিক অ্যামিকাসিন ও জেন্টামাইসিনে ২৬.৬৭ শতাংশ। আট রকম হারের শুল্কায়নে দুর্নীতি ও হয়রানি বাড়ে। (সরকার কর্তৃক নির্ধারিত করের বিবরণ)।

১০টি ভ্রাম্যমাণ চিকিৎসা দলের মাধ্যমে প্রতি দুই সপ্তাহে ১০০০ করোনা রোগীর চিকিৎসা

১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময়ে পাঁচজন চিকিৎসক, ২৫ অনধিক মেডিকেল ছাত্র এবং মেডিকেল সেবা সম্পর্কে অজ্ঞ কয়েকশ স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীকে ২-৪ সপ্তাহ ইনটেনসিভ মেডিকেল/ নার্সিং প্রশিক্ষণ দিয়ে ৪৮০ শয্যার বাংলাদেশ ফিল্ড হাসপাতাল পরিচালিত হতো। সেখানে অসংখ্য আহত, গুলিবিদ্ধ মুক্তিযোদ্ধা ও শরণার্থী চিকিৎসা পেয়েছেন। এ হাসপাতালের নিবেদিত প্রচেষ্টা ও সফলতা সবাইকে চমৎকৃত করেছিল।

ঢাকা শহরে সময়মতো হাসপাতালে ভর্তি হতে না পারায় রোগীর অবনতি হয় এবং পরে আইসিইউ’র ওপর চাপ বাড়ে। আইসিইউতে মৃত্যুর হার উন্নত দেশগুলোতেও প্রায় ৪০ শতাংশ এবং চিকিৎসাও ব্যয়বহুল। এ অবস্থায় আমার প্রস্তাব হলো, গণস্বাস্থ্যের ১০ সদস্যবিশিষ্ট চিকিৎসক, নার্স-প্যারামেডিক, ফিজিওথেরাপিস্ট, প্যাথলজি টেকনিশিয়ান ও স্বেচ্ছাসেবক সমন্বিত দল করোনা রোগীর বাড়িতে গিয়ে রোগীকে পরীক্ষা করে রোগ নির্ণয় করবেন, পরামর্শ দেবেন এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ দেবেন। রোগীর প্রাথমিক সেবার জন্য পরিবারের একজনকে প্রশিক্ষণ দেবেন, যিনি ভ্রাম্যমাণ দলের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখবেন।

ভ্রাম্যমাণ চিকিৎসাব্যবস্থা একটি সেবামূলক সাশ্রয়ী পদ্ধতি

বাড়িতে গিয়ে ভ্রাম্যমাণ চিকিৎসা দল চিকিৎসাসেবা দিলে জনগণের হয়রানি কমবে, তাদের শয্যার জন্য এক হাসপাতাল থেকে অন্য হাসপাতালে দৌড়াদৌড়ি করতে হবে না, হাসপাতালের সেবার জন্য আয়া রাখতে হবে না, নার্স, সুইপারদের ডাকাডাকি করে মনঃক্ষুণ্ন হতে হবে না। নিজ বাড়িতে যে কোনো আত্মীয়কে (স্বামী, স্ত্রী, কন্যা, পুত্র, বাবা, মা, চাচি, দাদি, নাতি ইত্যাদি) কয়েক দিনের প্রশিক্ষণ দিলে রোগীকে যত্নসহকারে সেবা দিতে পারবেন। রক্তচাপ ও তাপমাত্রা দেখতে পারবেন। নিয়মমাফিক ওষুধ সেবন করাবেন। রোগীর সমস্যা চিকিৎসকদের ফোন করে জানাবেন এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ নেবেন, ঘরে বসে বিভিন্ন রিপোর্ট পাবেন।

পরিবার সময়মতো রোগীকে পছন্দের খাবার দিতে পারবে। বাড়িতে রোগীর অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত হাসপাতালে স্থানান্তর করা যাবে। পরিবারের যাতায়াতের ভাড়া ও সময় সাশ্রয় হবে। চিকিৎসক বাড়িতে গিয়ে প্রতিদিন রোগীকে দেখে পরামর্শ দেবেন। এজন্য চিকিৎসা দলকে কোনো ফি দিতে হবে না। সরকারের আর্থিক সাশ্রয় হবে এবং খাদ্য সরবরাহে দুর্নীতি কমবে। রোগী নিয়মিত সব ওষুধ পাবেন। নিজ নিজ বাড়িতে দ্রুত চিকিৎসা শুরু হওয়ার ফলে মাত্র ৫-১০ শতাংশ রোগীর আইসিইউতে চিকিৎসার প্রয়োজন হবে এবং অধিকাংশ রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে অর্থ ও সময় ব্যয় করে চিকিৎসা নেওয়ার জন্য হয়রানির সম্মুখীন হতে হবে না।

বাড়িতে করোনা রোগীর চিকিৎসা

রোগের উপসর্গ বিবেচনা করে সাধারণত করোনা রোগীদের চার ভাগে ভাগ করা যুক্তিসংগত : ১. মৃদু উপসর্গের রোগী, ২. সহনীয় উপসর্গের রোগী, ৩. সহনীয় রোগীদের উপসর্গ রোগীদের সঙ্গে অসংক্রামক রোগ, ৪. গুরুতর করোনা রোগী। সব ক্ষেত্রে মূল প্রয়োজনমাফিক ওষুধ ও পুষ্টির ব্যবস্থা করা হলে সাধারণত দুই সপ্তাহের চিকিৎসায় অধিকাংশ রোগী নিরাময় হবেন। ৫-১০ শতাংশ গুরুতর রোগীদের জন্য আইসিইউ’র ব্যবস্থা করতে হবে। সার্বিক চেষ্টার পরও আইসিইউতে প্রায় ৪০ শতাংশ রোগীকে বাঁচানো যায় না। স্মরণ রাখা প্রয়োজন, লাইফ সাপোর্ট মানে মৃত্যুর হাতছানি।

চিকিৎসা ব্যয়

২০০০ রোগীর চিকিৎসার জন্য প্রতিমাসে ভ্রাম্যমাণ চিকিৎসা দলের বেতন-ভাতা, জ্বালানি, অক্সিজেন, ওষুধ ও পুষ্টিকর খাদ্য সহায়তা ইত্যাদির জন্য অমূলধনীয় (Recurrent) ব্যয় হবে প্রায় দেড় কোটি টাকা, অর্থাৎ রোগীপ্রতি গড়ে ৭ হাজার ৫০০ টাকা। সরকার, দানশীল ব্যক্তি, ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের দান ও জাকাত থেকে ছয় মাসের চিকিৎসা বাবদ ৯ কোটি টাকা সংগ্রহ করা হবে। পরিবার রোগীর সব পরীক্ষা ও প্লাজমা খরচ বহন করবেন।

সরকারের জরুরি কর্তব্যগুলো

১. অক্সিজেন, ওষুধ, মেডিকেল যন্ত্রপাতি ও সামগ্রী থেকে বিশেষ SRO (Statutory Regulatory Order)-এর মাধ্যমে সব ধরনের শুল্ক, অগ্রিম আয়কর, মূসক ইত্যাদি প্রত্যাহার করা। ২. আইসিইউ পরিচালনার জন্য জরুরি ভিত্তিতে চিকিৎসক ও নার্স প্যারামেডিকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা- ২০০ জন চিকিৎসক ও ৫০০ জন নার্স টেকনিশিয়ানকে আইসিইউতে দ্রুত অক্সিজেন প্রদান (High Flow Nasal Canula), নন-ইনভেসিব শ্বাসপ্রশ্বাস প্রক্রিয়া (Non-invasive Ventilatory Support), শ্বাসতন্ত্রে টিউব মারফত অক্সিজেন সরবরাহ (Intubation and Mechanical Ventilatory Support), অন্যান্য নিয়ন্ত্রিত শ্বাসপ্রশ্বাস ব্যবস্থাপনা প্রক্রিয়া (ECMO- Exracorporeal Membrane Oxygenation) এবং শ্বাসনালি ট্যাকিয়া (Tracheostomy) ছিদ্র করে দ্রুত অক্সিজেন সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য এক মাসের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা। ৩. সব ওষুধের মূল্য এবং রোগ পরীক্ষার পদ্ধতিগুলোর চার্জ সরকার কর্তৃক নির্ধারণ করে দেওয়া।

৪. কারাগারে আবদ্ধ সব ব্যক্তিকে দ্রুত টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা নেওয়া এবং খুনের দায়ে এবং দুর্নীতির কারণে দণ্ডিত অভিযুক্ত ছাড়া অন্য সবাইকে জামিনে মুক্তি দেওয়া। ৫. সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেল কলেজগুলোয় প্রতিবছর ২০ হাজার ছাত্র ভর্তি করা এব এমবিবিএস পাশের পর ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণকেন্দ্রে এক বছর বাধ্যতামূলক ইন্টার্নশিপ করা। অতীতে এ নিয়ম চালু করে দুই সপ্তাহ পর প্রত্যাহার করে ভুল করা হয়েছিল।

৬. আগামী বাজেটে সব ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের নিরাপত্তা বেষ্টনী সংস্কার, গভীর নলকূপ ও বিদ্যুতায়ন ব্যবস্থার উন্নয়ন, মেডিকেল, নার্সিং, ফিজিওথেরাপি ও টেকনিশিয়ানদের জন্য ডরমিটরি, ক্লাসরুম, লাইব্রেরি, ডাইনিং রুম এবং ৫ জন চিকিৎসক ও ১০ জন নার্সিং, ফিজিওথেরাপি ও টেকনিশিয়ান প্রধানের জন্য ৬০০-৭০০ বর্গফুটের বাসস্থান, বহির্বিভাগসহ ৩০ শয্যার হাসপাতাল, ল্যাবরেটরি ও অপারেশন থিয়েটার নির্মাণের জন্য ৬ কোটি টাকা এবং অপারেশন থিয়েটার, এক্সরে আলট্রাসনোলজি, চক্ষু ও বিভিন্ন ল্যাবরোটরির যন্ত্রপাতির জন্য অন্যূন ৪ কোটি টাকা বরাদ্দের ব্যবস্থা নিন।

এরূপ উন্নয়নে ইউনিয়নের প্রায় এক লাখ মানুষের জন্য আধুনিক স্বাস্থ্যব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হবে। ৭. লকডাউন কার্যকর করার জন্য দরিদ্র ও নিুবিত্ত পরিবারগুলোকে সরাসরি আর্থিক প্রণোদনার পরিবর্তে বিনামূল্যে মাসিক রেশনে চাল, ডাল, আটা, আলু, তেল, চিনি, পেঁয়াজ, রসুন ইত্যাদি দিতে হবে। রেশন বিতরণের জন্য সামরিক বাহিনী, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও এনজিও কর্মীদের ব্যবহার করা হলে তা সুফল দেবে।

৮. ট্রিপসের বাধ্যতামূলক লাইসেন্সের মাধ্যমে ভ্যাকসিন উৎপাদন সুবিধা সৃষ্টির জন্য নোবেল লরিয়েট ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত করে ইউরোপে পাঠানো হোক। ৯. ভ্যাকসিন উৎপাদনের জন্য ০.৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করা হলে সুফল মিলবে। ১০. গত বছর দ্রুত সিনোজাকের ট্রায়াল অনুমোদন না দিয়ে যে ভুল করা হয়েছিল, তার পুনরাবৃত্তি কাম্য নয়। ১১. গণস্বাস্থ্য উদ্ভাবিত অ্যান্টিবডি অ্যান্টিজেন অনুমোদন এক বছরে হয়নি। ড. বিজন কুমার শীলের ভিসা না হওয়ায় দেশে ফিরতে পারছেন না। ৬ মাস আগে চার বিজ্ঞানীর তত্ত্বাবধানে জবধষ ঃরসব চঈজ ল্যাবরোটরি স্থাপিত হলেও ব্যবহার শুরু করার জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তর অদ্যাপি অনুমতি দেয়নি। এর ফলে ক্ষতি হচ্ছে দেশের।



অ্যাড বিভাগ

শিরোনাম »
আবু ত্ব-হার পক্ষে হাইকোর্টে লড়বেন ব্যারিস্টার সুমন এখন সবার পায়ে জুতা বাণিজ্যমন্ত্রী দুর্নীতিতে জড়িত মন্ত্রী এমপি ব্যবসায়ী আমলার বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান কঠোর আত্মঘাতী গোলে জার্মানির সর্বনাশ এশিয়ান কাপের বাছাইপর্বে সরাসরি খেলবে বাংলাদেশ সাব্বিরের মতো এসব করার রেকর্ড আমার নেই যদি কেউ কাইল্যা বলে দোষ কি আমার লকডাউন আরও বাড়ল পরীমনির ঘটনায় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন নাসির-অমি ৫৫ হাজার ভুয়া ভোটার: নির্বাচন কর্মকর্তাসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা শিগগিরই আরেকটা যুদ্ধে জড়াতে চায় না হামাস-ইসরাইল হজে সাধারণ কাপড় বাদ,আসছে ন্যানোটেকনোলজি যুক্ত ইহরাম আবুধাবিতে পরিত্যক্ত অবস্থায় গাড়ি রাখলে জরিমানা জেনেভায় ৩ ঘণ্টা কী আলোচনা করলেন বাইডেন-পুতিন সংসদে তোপের মুখে অর্থমন্ত্রী হোয়াটসঅ্যাপ লগ ইন আরও সুরক্ষিত হচ্ছে ছোট্ট মেয়ের কাছ থেকে নিপুণকে বিচ্ছিন্ন করে কারাগারে রাখা অমানবিক ভাতিজার জন্য নৌকার প্রার্থীকে নির্বাচন বর্জনের পরামর্শ এমপি ফিরোজের, অডিও ভাইরাল প্রমাণ করতে হবে ১৫ আগস্ট খালেদা জিয়ার সত্যিকার জন্মদিন কি না পরীমনিকাণ্ডে আলোচিত কে এই অমি অপরাধীরা সুযোগ পাচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী প্রশাসনে তিন লাখ ৮০ হাজার পদ শূন্য দুই পাখির এক ‘মস্তিষ্ক’ রাষ্ট্রদ্রোহের মামলায় সু চির বিরুদ্ধে সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু আজারবাইজানের সেই এলাকা ঘুরে এলেন এরদোগান উগ্রপন্থি ইহুদিদের পতাকা মিছিল ফিলিস্তিনে ফের উত্তেজনার শঙ্কা গাজায় ফের ইসরাইলি বিমান হামলা বিশ্বকাপের আয়োজক হতে চায় বাংলাদেশ অটোপাস পাচ্ছেন অনার্স প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীরা ডিসেম্বরের মধ্যে সব সেক্টর চালু করতে চায় মালয়েশিয়া