সোমবার ২০ জানুয়ারী ২০২০ | ০৭:২০:৫৪

মোহনা সংবাদ ২৪ ডট কম

মতামত ও সুপারিশ শ্রম আইনে প্রস্তাবিত সংশোধনের আলোকে

It Admin Mohona, Mohona Songbad | আপডেট: ১৫:৪৩, অক্টোবর ০৬, ২০১৮

আলোচনায় সুপারিশ
■ শ্রমসংক্রান্ত মামলার বিচারপ্রক্রিয়ায় বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (এডিআর) পদ্ধতি অন্তর্ভুক্ত করতে হবে
■ ক্ষতিপূরণের বেলায় আইএলওর নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে
■ ট্রেড ইউনিয়নকে স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ দেওয়া প্রয়োজন
■ আইনের মাধ্যমে শ্রমিকের চাকরির নিশ্চয়তা প্রদান করা জরুরি
■ শ্রম আদালতে বিচারকার্য শেষ হওয়ার জন্য সময় নির্দিষ্ট করে দিতে হবে
■ যৌন হয়রানি বন্ধে সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা থাকা প্রয়োজন
■ শ্রমিকের সুবিধার্থে শ্রমঘন এলাকায় শ্রম আদালতের সংখ্যা বৃদ্ধি করা দরকার
■ কর্মক্ষেত্রে যেকোনো প্রকার হয়রানির জন্য সুনির্দিষ্ট শাস্তির বিধান করা জরুরি
■ শ্রমিকদের জন্য দুর্ঘটনা বিমার ব্যবস্থা করা যেতে পারে

আলোচনা
আব্দুল কাইয়ুম
সরকার শ্রম আইন সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে। প্রস্তাবনায় শিশুশ্রমকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। জরিমানার ব্যবস্থা আছে। ১৪ বছরের নিচে যেকোনো বয়সী শিশুকে কাজে নিয়োগ দিতে নিষেধ করা হয়েছে।
এসবই ভালো উদ্যোগ, তবে প্রস্তাবিত সংশোধনীর বেশ কিছু বিষয়ে আরও কাজ করার সুযোগ আছে। শ্রম আইনের কার্যকর ব্যবহারের ক্ষেত্রে কোন উদ্যোগ গ্রহণ করা যায়, তা আজকের আলোচনার বিষয়। এখন এ বিষয়ে ব্লাস্টের পক্ষ থেকে আলোচনা করবেন মো. বরকত আলী।

মো. বরকত আলী
সম্প্রতি মন্ত্রিপরিষদে পাস হওয়া শ্রম আইনের খসড়ায় আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বিবেচনা করা যেতে পারে। শ্রম ও শ্রমিকের সঙ্গে জড়িত চারটি বিষয়কে কেন্দ্র করে ব্লাস্ট পরামর্শ প্রদান করেছে।
এগুলো হলো শ্রমিকের সংজ্ঞা নির্ধারণ, ক্ষতিপূরণ, শ্রমবিষয়ক মামলা-মোকদ্দমার বিচারপ্রক্রিয়ায় এডিআরকে (বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি) অন্তর্ভুক্ত করা ও যৌন হয়রানি নিরসনের জন্য মহামান্য হাইকোর্টের যে রায় রয়েছে, তা শ্রম আইনে যুক্ত করা।

শ্রমিকের সংজ্ঞায় তদারকি কর্মকর্তাকে শ্রমিক হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে না। ২০১৩ সালে শ্রম আইন সংশোধনের আগে তদারকি কর্মকর্তাকে শ্রমিক হিসেবে গণ্য করা হতো। তদারকি কর্মকর্তার কাজের প্রকৃতি অনুযায়ী তিনিও একজন শ্রমিক।

ক্ষতিপূরণের ক্ষেত্রে মৃত শ্রমিকের বেলায় ২ লাখ ও স্থায়ীভাবে অক্ষম শ্রমিকের জন্য ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা প্রদানের প্রস্তাব করা হয়েছে। এর আগে ১ লাখ ও ১ লাখ ২৫ হাজার টাকার বিধান করা হয়েছিল। তবে আগে থেকেই ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ করে রাখা উচিত নয়। বরং ক্ষতিপূরণ বিবেচনা করার ক্ষেত্রে একটি ন্যূনতম মানদণ্ড থাকা উচিত। এ ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও), মারাত্মক দুর্ঘটনা আইন ১৮৫৫ সালের উচ্চ আদালতের বিভিন্ন নজির অনুসরণ করা যেতে পারে। কর্মক্ষত্রে দুর্ঘটনায় একজন শ্রমিকের মৃত্যুবরণে ২০ লাখ এবং স্থায়ীভাবে অক্ষম ব্যক্তিকে ২৫ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ প্রদান করা উচিত। মৃত শ্রমিকের ক্ষেত্রে অবসর ও অবসরকালীন সুযোগ-সুবিধাগুলো বিবেচনা করা উচিত। অক্ষম শ্রমিকের ক্ষেত্রে চিকিৎসার খরচ বিবেচনায় থাকতে হবে।

আবার অস্থায়ীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিকের ক্ষেত্রে চিকিৎসার খরচ ও কাজ থেকে বিরত থাকা সময়ের সম্ভাব্য মজুরি বিবেচনা করা দরকার। মৃত বা স্থায়ীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিকের পরিবার থেকে একজন সদস্যকে যোগ্যতা অনুযায়ী কাজের সুযোগ দেওয়া। ক্ষতিপূরণ সম্পূর্ণভাবে না দেওয়া পর্যন্ত সর্বশেষ মজুরি প্রদান করতে হবে।
২০১৩ সালে রানা প্লাজা ঘটনার মামলায় মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগের নির্দেশনায় ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণে সুপারিশ প্রদানের জন্য গঠিত কমিটি আইএলও কনভেনশন ও পেইন অ্যান্ড সাফারিংয়ের বিষয়ে বিবেচনা করেছিলেন। যদিও রানা প্লাজা মামলা আজ পর্যন্ত নিষ্পত্তি হয়নি। কিন্তু ইদানীং বেশ কিছু মামলায় দুর্ঘটনার শিকার ব্যক্তির আয়, দুর্ভোগ ও অন্যান্য বিষয় বিবেচনায় রেখে মামলার ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ করা হচ্ছে।

সাংবাদিক মোজাম্মেল হকের মামলায় মহামান্য আপিল বিভাগ ১ কোটি ৭১ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার রায় দিয়েছেন। শ্রম আদালতের সংখ্যার তুলনায় মামলার পরিমাণ অনেক বেশি। বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত ৭টি শ্রম আদালত ও ১টি আপিল ট্রাইব্যুনাল রয়েছে।
শ্রম আইন অনুযায়ী শ্রম আদালতের বিচারপ্রক্রিয়ায় ফৌজদারি কার্যবিধির সংক্ষিপ্ত বিচার পদ্ধতি এবং দেওয়ানি কার্যবিধি প্রযোজ্য। বর্তমানে শ্রম আদালতে ১৭ হাজার ১২১টি মামলা চলমান। শ্রম আইনের ২১৪ ধারায় আরও একটি ধারা হিসেবে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। তাহলে অনেক মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি হওয়ার সুযোগ পাবে।
কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানি বন্ধের জন্য মহামান্য হাইকোর্টের যে রায়, তা শ্রম আইনে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম হোসেন
বর্তমানে বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বের হয়ে আসছে। এ জন্য আমাদের একটা প্রস্তুতি থাকা দরকার। কারণ, মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হলে আন্তর্জাতিকভাবে বাংলাদেশের ওপর নজর রাখা হবে। দেশের আইনকানুন কী পর্যায়ে রয়েছে, কেমন মানছি ইত্যাদি বিষয় বিবেচনা করা হবে।
সমস্যা হলো, শ্রম আইন বলতে আমরা কেবল পোশাকশিল্পের সঙ্গে সম্পৃক্ত বিধিনিষেধগুলো চিন্তা করি। এ মানসিকতা থেকে বের হয়ে আসতে হবে। পোশাকশিল্পের বাইরেও শ্রমের বড় খাত রয়েছে। এগুলো আমাদের বিবেচনায় রাখা উচিত।

শিল্পশ্রমিকদের ক্ষেত্রে বলা হয়ে থাকে, ১৪ থেকে ১৮ বছর বয়সীরা হালকা কাজ করতে পারবে। কিন্তু দেখা যায়, তাদের দিয়ে একজন পরিণত শ্রমিকের কাজ করানো হচ্ছে। এ বিষয়ে প্রশাসনের কড়া নজরদারি থাকা দরকার। তবে বর্তমানে শিশুশ্রমিকের বয়স ১২ থেকে ১৪ বছর করা হয়েছে। এটি একটি ভালো দিক। ক্ষতিপূরণের ক্ষেত্রে ২০ লাখ টাকা প্রদান শারীরিক ও মানসিক ভোগান্তির বিষয়গুলো বিবেচনায় ধরা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে রানা প্লাজা দুর্ঘটনায় ক্ষতিপূরণ প্রদানের ক্ষেত্রে একটা মানদণ্ড রয়েছে। শ্রমিকদের জন্য দুর্ঘটনা বিমার ব্যবস্থা করা যেতে পারে।
শ্রমিকদের মামলা নিষ্পত্তি করার ক্ষেত্রে শ্রম আদালতকে আরও সক্রিয় হতে হবে। শ্রম আদালতে বিচারের ক্ষেত্রে সময় নির্দিষ্ট করা যেতে পারে। সময় নির্দিষ্ট করে দিলে বিচারপ্রক্রিয়া বিলম্বিত হওয়ার আশঙ্কা থাকবে না। শ্রমঘন এলাকাগুলোতে আদালতের সংখ্যা বাড়ানো গেলে শ্রমিকের আদালতে আসতে সুবিধা হতো। অনেক সময় আদালতে আসার বিভিন্ন ভোগান্তির কথা চিন্তা করে অনেক শ্রমিক আইনের আশ্রয় গ্রহণে বিরত থাকেন।

কোনো কোনো সময় কাজের চাপ বৃদ্ধি করে দেওয়া হচ্ছে। এ জন্য যৌন হয়রানি ও অসদাচরণ—এই দুটি বিষয়কে আলাদা করে বিবেচনা করতে হবে।
প্রস্তাবিত সংশোধিত শ্রম আইন বাস্তবায়নের পর শ্রমের বিভিন্ন খাতের ওপর সমীক্ষা করে দেখা উচিত। এ আইন কার্যকরের ফলে কোন খাতে কী ধরনের পরিবর্তন হলো, কারও সমস্যা হচ্ছে কি না বা ইত্যাদি বিষয় সমীক্ষা করে দেখা প্রয়োজন। কামরুন নাহার
প্রস্তাবিত শ্রম আইনে ‘অশ্লীল’ ও ‘অভদ্রতাজনিত’ শব্দগুলো মুছে ফেলার অনুরোধ জানাচ্ছি। কর্মক্ষেত্রকে পরিবেশবান্ধব ও নারীবান্ধব শব্দগুলো অন্তর্ভুক্ত করার জন্য অনুরোধ করছি।
যৌন নির্যাতন বা হয়রানি প্রতিরোধে মহামান্য হাইকোর্টের নির্দেশনা পরিষ্কার ও ব্যবহারোপযোগী। সেটা অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। তাহলে নারীদের বৈষম্য নিরসনে যারা কাজ করছে, সেটা সহজ হয়ে যাবে। উন্নয়ন-সহযোগী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অভিযোগ করা হয়। এটা নিন্দনীয়। লিঙ্গবৈষম্যভিত্তিক সহিংসতা নিরসনে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং শ্রমিকদের অধিকার আদায়ে এনজিওগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

সম্প্রতি সজাগ কোয়ালিশনের মাধ্যমে একটা কাজ শুরু করা হয়েছে, যেখানে ব্র্যাক, ব্লাস্ট, ক্রিস্টিয়ান এইড, এসএনভি এবং নারীপক্ষ একত্রে কাজ করছে। এর উদ্দেশ্য হলো সুশৃঙ্খল কর্মপরিবেশ সৃষ্টির ক্ষেত্রে মালিক-শ্রমিক উভয়ের একটি উপায় বের করা।

এ ক্ষেত্রে মহামান্য হাইকোর্টের রায় একটি বড় সহায়। এর কার্যকর ব্যবহার করতে পারলে অনেক সমস্যা নিয়ন্ত্রণের মধ্যে চলে আসবে। এটা উন্নয়নকে গতিশীল করবে এবং উভয় পক্ষকে লাভবান করবে।

যদিও এটা নিয়ে আইন তৈরির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আইনের খসড়া হয়েছে। এখান থেকে যে নির্দেশনা আসবে, তা দিয়ে কর্তৃপক্ষকে নিয়ে কাজ করার একটা ক্ষেত্র তৈরি হবে।
সম্প্রতি সজাগ কোয়ালিশনের উদ্যোগে একটা ভিত্তি জরিপ হয়েছে। সেখানে ৬৪ শতাংশ মানুষ বলেছেন, প্রতিরোধমূলক একটি আইনের কথা তাঁরা শুনেছেন। স্পষ্ট কোনো ধারণা নেই। এ জন্য আইনে এটা অন্তর্ভুক্ত হলে দায়বদ্ধতা সৃষ্টি হবে, সব ক্ষেত্র নারীবান্ধব হবে। সামগ্রিক শ্রমিকদের উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে এবং মালিকপক্ষ যথার্থ উপকৃত হবে।
সন্তানকে ডে-কেয়ার সেন্টারে রাখার ব্যবস্থা করা হলে মায়েরা কিছুটা হলেও কাজে মনোযোগ দিতে পারবেন। ওয়াজেদুল ইসলাম খান
তৈরি পোশাক বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান ও অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি খাত। কিন্তু দুঃখের বিষয়, সেখানেও বিভিন্ন দিক দিয়ে সংকট রয়েছে। শ্রম আইন ও অন্য আইনগুলো মানা হচ্ছে না। আইন মানা হলে সংকট সৃষ্টি হতো না।
বাংলাদেশের শ্রম আইন যদি আইএলও কনভেনশন মেনে অবাধ ট্রেড ইউনিয়ন নিশ্চিত করত, তাহলে শ্রমিক ও মালিক উভয়ের স্বার্থ রক্ষিত হতো। ইউনিয়ন গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সমর্থন এবারের সংশোধনীতে ৩০ শতাংশের পরিবর্তে ২০ শতাংশে নিয়ে আসা হয়েছে। এটা আইএলও কনভেনশন পরিপন্থী। কোনো ধরনের শতাংশ রাখা যাবে না। একসময় কোনো শতাংশ না থাকলেও কোনো কারখানায় তিনটা ইউনিয়নের বেশি ছিল না। শতাংশ করে নৈতিক অবস্থানকে জলাঞ্জলি দেওয়া ঠিক নয়। এটা বন্ধ করে দেওয়া উচিত।

শ্রম আইন আইএলওর চেতনাবিরোধী হলেও কোনো বিষয়ে দ্বিপক্ষীয় বা ত্রিপক্ষীয় আলোচনা করে সমস্যা সমাধানের কথা বলা হয়েছে। এটা ভালো দিক। কিন্তু ট্রেড ইউনিয়ন করতে না দিলে মধ্যস্থতা করবে কে? ৪ হাজার পোশাক কারখানার ৭০০ ট্রেড ইউনিয়নের বেশির ভাগই নিষ্ক্রিয়। একজন শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়নের সঙ্গে যুক্ত হলে মালিক তাঁকে চাকরিচ্যুত করেন। এ ক্ষেত্রে লেবার ডিপার্টমেন্ট ও কারখানা পরিদর্শকের ভূমিকা থাকতে হবে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আইএলও কনভেনশনের পক্ষে ছিলেন। ২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারে আইএলও কনভেনশন অনুযায়ী শ্রম আইন পরিবর্তন করার কথা উল্লেখ ছিল। ১০ বছর আগে প্রচলিত ক্ষতিপূরণ ১ লাখ টাকাকে বর্তমানে ২ লাখ টাকা করা হয়েছে। তবে মুদ্রাস্ফীতির বিষয়টি চিন্তা করলে এটা কোনো ক্ষতিপূরণই নয়।
ব্লাস্ট কর্তৃক ২০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তবে এটাও ঠিক নয়। ক্ষতিপূরণের বেলায় শ্রমিকের সঙ্গে মালিকেরও লাভ-ক্ষতির বিভিন্ন দিক বিবেচনা করে আর্থিক বিষয়টি নির্ধারণ করা উচিত। এ ক্ষেত্রে একজন শ্রমিক কত বছর সক্রিয়ভাবে শ্রম দিতে পারবেন, সেটা বিবেচনা করা উচিত। এতে জীবনের মূল্য দেওয়া না গেলেও ন্যায্য ক্ষতিপূরণ প্রদান করা উচিত। ইপিজেডের জন্য আলাদা কোনো আইনের প্রয়োজন নেই। সারা দেশের সব শ্রমিকের বিষয় এ আইনের আওতায় বিবেচনা করতে হবে। বিভেদ করা উচিত হবে না। এক দেশের শ্রমিকের জন্য দুই ধরনের আইন তো হতে পারে না।

শ্রমঘণ্টার ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুযায়ী আট ঘণ্টাকে অপরিবর্তিত রাখতে হবে। কিশোরদের (১৪-১৮ বছর) দিয়ে হালকা কাজ করার পরিবর্তে ভারী কাজ করালে কী শাস্তি হবে, তা সুনির্দিষ্ট করে বলা হয়নি। এটা স্পষ্ট হওয়া দরকার।

মাতৃত্বকালীন ছুটির ক্ষেত্রে সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে ছয় মাস এবং বেসরকারি চাকরির ক্ষেত্রে চার মাস। এ বৈষম্য না রাখাই ভালো। অসদাচরণের জন্য শ্রমিকের বকেয়া বেতন প্রদান করা হয় না এবং চাকরিচ্যুত করা হয়। এটা ঠিক নয়। অপরাধের জন্য শাস্তি দেওয়া হবে। তবে বকেয়া বেতন দিতে হবে। তা ছাড়া মালিকের উচিত যখন-তখন শ্রমিককে চাকরিচ্যুত করা থেকে বিরত থাকা।



অ্যাড বিভাগ

শিরোনাম »
উন্নত রাষ্ট্রের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ - কৃষিমন্ত্রী সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন সাংবাদিকদের পরিচয়পত্রের জন্য আবেদনের শেষ তারিখ ২৭ জানুয়ারি মুজিব শতবর্ষ লোগো নির্দেশিকা প্রকাশিত এ বছর থেকে ২ মার্চ জাতীয় ভোটার দিবস নিরাপত্তার ঝুঁকি মনে হলে যে কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারবে দিল্লি পুলিশ বাংলাদেশকে ধন্যবাদ রুশোর, দর্শকদের প্রশংসায় ইরফান চেহারা শনাক্তকরণ প্রযুক্তি নিষিদ্ধের কথা ভাবছে ইইউ কুষ্টিয়ায় কোনো মাদকবিক্রেতা-সন্ত্রাসী থাকতে দেবেন না এসপি সির সফর, চীনা মুকুট ও রাখাইন রত্ন বুঝতে পারছি না ভারত কেন এটা করল, এর প্রয়োজন ছিল না সিটি নির্বাচনের তারিখ পরিবর্তন করায় অনশন ভাঙলেন আন্দোলনরত ঢাবি শিক্ষার্থীরা বাংলাদেশের ছেলেমেয়েরা সব জায়গায় ভালো করে ইআরপি সফটওয়্যার প্রতিযোগিতায় দেশীয় প্রিজম র‌্যানকন মোটরবাইকস জাতীয় অ্যাথলেটিক্সে ইবির ৩ শিক্ষার্থীর স্বর্ণপদক জয় বিশ্ব ইজতেমায় তাইজুল-শুভ চতুর্থ শিল্প বিপ্লবে বাংলাদেশের সগৌরব উপস্থিতি থাকবে অর্থমন্ত্রী জিয়া, এরশাদ ও খালেদা জিয়ারা ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করেছে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী পার্বত্য চট্টগ্রামের উন্নয়ন কাজে পর্যটনকে গুরুত্ব দিতে হবে পার্বত্য মন্ত্রী বীর বাহাদুর সিটি নির্বাচন সহ সব ধরনের নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সরকার বদ্ধপরিকর স্থানীয় সরকার মন্ত্রী জ্ঞান চর্চা না করলে তা নষ্ট হয়ে যায় স্থপতি ইয়াফেস ওসমান সংসদ সদস্য আব্দুল মান্নানের মৃত্যুতে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের শোক হারিয়ে যাওয়া ইতিহাস ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে কাজ করছে সরকার নৌপরিবহন ইআরপি সফটওয়্যার প্রতিযোগিতায় দেশীয় প্রিজম র‌্যানকন মোটরবাইকস জামিনে মুক্তি পেয়েই মসজিদের বিক্ষোভে চন্দ্রশেখর ইরানের আরেক কমান্ডারের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিল যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গবন্ধুর আদর্শে চলতে ছাত্রলীগকে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় বাংলাদেশে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড কম: পররাষ্ট্রমন্ত্রী শুদ্ধি অভিযানের গতি ও পরিণতি ঝুঁকি বাড়াচ্ছে ঘন কুয়াশা পাকিস্তান যাবেন না মুশফিক, নিশ্চিত করল বিসিবি